শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

জোরারগঞ্জে দেশীয় অস্ত্র ও মাস্কসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও মাস্কসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১ অক্টোবর ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮:৩০ ঘটিকার সময় ১নং করেরহাট ইউনিয়নের নয়াটিলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন:
 

১. মোঃ আনোয়ার হোসেন (২৩), পিতা: জয়নাল আবেদীন, সাং-রহমতপুর (কয়লার মুখ), থানা: ভূজপুর, জেলা: চট্টগ্রাম।


 

২. বেলায়েত হোসেন (৩০), পিতা: আব্দুল হক, সাং-রাজ নগর (বল্লাবাড়ী), থানা: ফেনী সদর, জেলা: ফেনী।


 

৩. মোঃ আলাউদ্দিন প্রকাশ মামুন (৩৬), পিতা: মৃত আহম্মদ ছাবহান, সাং-খেড়ামারা (আদর্শগ্রাম ৩নং টিলা), থানা: জোরারগঞ্জ, জেলা: চট্টগ্রাম।

 

ঘটনা ও উদ্ধারকৃত আলামত:
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের নয়াটিলা টু কয়লা বাজার অংশে ডাকাতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর নির্দেশনায় এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছিল।

অভিযানকালে এসআই (নিঃ) মোঃ ইকরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ টিম নয়াটিলা বাজারের পূর্বে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় ১৪-১৫ জনের একটি অস্ত্রধারী ও মাস্ক পরিহিত ডাকাত দলকে ডাকাতির প্রস্তুতি নিতে দেখে। পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘেরাও করে তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও বাকি ১০-১২ জন অন্ধকারে পালিয়ে যায়।

গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়:
 

বিভিন্ন আকারের ৪টি স্টিল ও কাঠের বাটযুক্ত দীর্ঘ লোহার ছোরা

১টি সাড়ে ২৪ ইঞ্চি লম্বা দেশীয় রামদা

৭টি কালো রঙের মাস্ক

 

পূর্ব অপরাধের ইতিহাস:
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা মহাসড়কে চলাচলরত যানবাহনে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিল। অনুসন্ধানে দেখা যায়, গ্রেপ্তারকৃত মোঃ আলাউদ্দিন প্রকাশ মামুনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানা এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বায়েজিদ বোস্তামী থানায় পেনাল কোড, অস্ত্র আইন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।