সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ফেনীর তিনস্থানে ঈদ উদযাপন
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ফেনীর তিনটি স্থানে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালের দিকে পৃথক তিনটি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ স্থানগুলো হলো, ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদনগর ইউনিয়নের পূর্ব সুলতানপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পৃথক দুটি পাড়া এবং পরশুরাম পৌরসভার কোলাপাড়া এলাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরহাদনগর ইউনিয়নের পূর্ব সুলতানপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি পাড়ায় সৌদির সঙ্গে মিল রেখে কিছু মানুষ ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। তাদের একটি অংশ পূর্ব সুলতানপুর শাহ আমানিয়া জাহাগিরিয়া দরবার শরীফের মাওলানা মোহাম্মদ গোলাম নবীর ইমামতিতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাসহ যাবতীয় ধর্মীয় আচার পালন করেন তারা।
আশরাফুল ইসলাম নামে ঈদ জামাতে অংশ নেওয়া আরেক মুসল্লি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঈদ উদযাপনে এসেছি। পৃথিবীর যেকোনো একটি স্থানে চাঁদ দেখা গেলেই আমরা ঈদ উদযাপন করি। শরিয়তের বিধান ও আমাদের বিশ্বাস অনুযায়ী অন্যান্য বিষয়গুলোও একইরীতিতে মানার চেষ্টা করি।
পূর্ব সুলতানপুর শাহ আমানিয়া জাহাগিরিয়া দরবার শরীফের পীর মাওলানা মোহাম্মদ গোলাম নবী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নয়, বরং হাদিসের ব্যাখ্যা ও শরিয়তের বিধান অনুযায়ী আমরা ঈদ উদযাপন করছি। সকাল থেকে মুসল্লিরা উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদগাহে আসতে শুরু করে। সুশৃঙ্খলভাবে নামাজ শেষ হয়েছে।
একইসময় গ্রামের অপর একটি অংশ পূর্ব সুলতানপুর রশিদিয়া দরবার শরীফের মরহুম মাওলানা গোলাম কিবরিয়া পীরমিয়ার ছেলে মুহাম্মদ সুলতান মাহমুদের নেতৃত্বে আরেকটি জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
এদিকে এদিন জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা পরশুরাম পৌর এলাকার কোলাপাড়া ছয়ঘরিয়া এলাকায় একটি স্থানেও ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ ব্যাপারে পরশুরাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, পৌর এলাকার কোলাপাড়া ছয়ঘরিয়া এলাকায় ৭-৮ জন মুসল্লি ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়েছেন। তারা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সদ্য প্রয়াত মেজর হোসেনের অনুসারী। এ জামাত ঘিরে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।